ফ্রান্সে বিজয় উৎসব, সমর্থকদের লুটপাট”

মাটিন নিউজ ডেক্স;

ফিফা বিশ্বকাপের ২১তম আসরে বিশ্বসেরা হওয়ার মঞ্চে রোববার (১৫ জুলাই) ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের মত শিরোপা জিতল ফরাসিরা। বিশ্বকাপ জিতে এমন দিনে ফ্রান্স জয়োল্লাসে মেতে উঠবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই ‍উল্লাস কাল হয়ে দাঁড়াল ফরাসি সমর্থকদের। বিজয় উৎসবের দিনে সমর্থকরা লুটপাট করতে মাতোয়ারা হয়ে উঠেন।

ফ্রান্সের জয় দেখতে হাজার মানুষ জড়ো হয় চ্যাম্পস-এলিসি’তে। কিন্তু জয়ের পর সমর্থকদের উল্লাস রুপ নেয় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে। আইফেল টাওয়ারে জমায়েত হয়েছিলেন প্রায় ৯০ হাজার মানুষ। চারটি বড় পর্দা সেখানে খেলা দেখার আয়োজন করা হয়। কিন্তু জয়ের পর আতশবাজির শহর প্যারিস রুপ নেয় ভয়ংকর ভাবে। ফরাসি সমর্থদের উল্লাসের সুযোগে একদল সমর্থক স্কি মাস্ক পরে প্রবেশ করে পাবলিসিজ ড্রাগস্টোরে। সেখান থেকে ওয়াইন, শ্যাম্পেনের বোতল নিয়ে বেরিয়ে এসে যোগ দেয় উৎসবে।

এরপরেই শুরু হয় তাদের কান্ড। মদের বোতল ছুড়তে থাকে পুলিশের দিকে। তারপর নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে। জাতীয় পতাকার তিন রং সবুজ, সাদা ও লালের সমন্বয়ে তৈরি স্মোক বোমা ছুড়েছে উত্তাল সমর্থকরা। বিশৃংখল আচরণ কাঁদানে গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করে ঠেকায় পুলিশ। পরে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ ঠান্ডা হয়।

এরপরেই শুরু হয় তাদের কান্ড। মদের বোতল ছুড়তে থাকে পুলিশের দিকে। তারপর নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে। জাতীয় পতাকার তিন রং সবুজ, সাদা ও লালের সমন্বয়ে তৈরি স্মোক বোমা ছুড়েছে উত্তাল সমর্থকরা। বিশৃংখল আচরণ কাঁদানে গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করে ঠেকায় পুলিশ। পরে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ ঠান্ডা হয়।

প্যারিস ছাড়াও ফ্রান্সের অন্য শহরে এ ধরনের সংঘর্ঘ হয়েছে। ফ্রান্সের স্থানীয় পত্রিকা দ্য লোকাল জানাচ্ছে, ফ্রান্সের বিজয় উল্লাসের দিনে এ ধরনের সংঘর্ষ প্যারিসের বাহিরে অন্যান্য শহরেও হয়েছে। এতে ৫০ জনের মতো আহত হয়েছেন। তিনজনের অবস্থা গুরুতর।

এছাড়াও বিজয় উদযাপনের সময় মারা যান দুই ফরাসি সমর্থক। তাদের একজন উদযাপনের সময় দ্রুতগামী গাড়ি নিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মারা গেছেন। অন্যজন পুলিশের সংঘর্ষের সময় মারা যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*