‘দিয়ারা’ খতিয়ান নিয়ে দিশেহারা টেকনাফবাসী বিজ্ঞ জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা

এম এম কিফায়তুল্লাহ শফীক্ব = ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তৎকালীন সরকার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিন হ্নীলা মৌজা টেকনাফ সদর-১ এবং টেকনাফ সদর-২ সহ কয়েকটি মৌজার দিয়ারা নামক একটি জরিপ পরিচালনা করেছিল। উক্ত জরিপের ফাইনাল খতিয়ান বিতরনের জন্য কয়েক মাস পূর্বে টেকনাফ মাইকিংও শুনা যায়। মাত্র তিন চার দিন পরে তাঁরা চলে গেলেও টেকনাফ উপজেলা ভূমি অফিস থেকে খতিয়ান বিতরণের কোন ব্যবস্থা রাখেননি। বর্তমান সময়ে উপজেলা ভূমি অফিসে দিয়ারা খতিয়ান ব্যতিত ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণ করা হচ্ছেনা। পক্ষান্তরে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে জমি রেজেস্ট্রিও হচ্ছেনা।
এমতাবস্থায় বিপদগ্রস্থ জনগণ টেকনাফ উপজেলা ভূমি অফিস থেকে দিয়ারা খতিয়ানের সহি মোহরকৃত নকল কপি চাইলে অফিস কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন আমাদের নিকট নকল সরবরাহের কোন নির্দেশনা আসেনি। নিরুপায় হয়ে জনগণ চট্টগ্রামের চৌমুহনী এলাকার কর্ণফুলী মার্কেটের ৩য় তলায় অবস্থিত দিয়ারা অফিসে যোগাযোগ করলে তাঁরা বলেছেন আমাদের অফিস থেকে মূল খতিয়ান বা নকল কপি সরবরাহের কোন নিয়ম নাই। আমরা সংশ্লিষ্ট মৌজায় বিতরণ পরবর্তী কক্সবাজার জেলার জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়কে হস্তান্তর করেছি।
এব্যাপারে ৫ অক্টোবর বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক মহোদয় এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জেলা প্রশাসন থেকে যথারীতি মহরকৃত নকল কপি সরবরাহের আশ্বাস দেন। এমতাবস্থায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক থেকে একটি নকল কপি সংগ্রহ করতে কত সময় ও কত টাকা ব্যয় হবে কারও অজানা নয়। আর যদি টেকনাফ উপজেলা ভূমি অফিস থেকে উক্ত কপি সরবরাহের নির্দেশনা প্রদান করা হয় তখন সমস্যা আরো কঠিন হবে বলে ধারনা করছেন সচেতন মহল। কারন স্থানীয় সকলেই জানা আছে এবং অভিজ্ঞতায় বলা যায় ভূমি অফিস থেকে মোহরকৃত নকল কপি সংগ্রহ করতে কমপক্ষে এক হাজার প্রয়োজন, অন্যথায় এক মাসেও কোন কপি পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। যা নিরপেক্ষ তদন্তে প্রামানিত হবে। এখন দিয়ারা খতিয়ানের নকল পেতে কত টাকা লাগবে তা মহান আল্লাহতায়ালাই বেশী জানেন। সবদিক বিবেচনা পূর্বক অসহায় টেকনাফবাসীর জন্য সহজ উপায়ে খতিয়ান পাওয়ার কি ব্যবস্থা হতে পারে এবিষয়ে সচেতন মহল বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, উক্ত দিয়ারা জরিপে অসাবধানতাবশতঃ অসংখ্য ভূল রেকর্ড পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুতরাং এ ভূল সংশোধনীর জন্য টেকনাফে সুযোগ রাখার দাবী জানিয়েছেন টেকনাফের জনগণ। ##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*